দেশে গত দেড় বছরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিয়েছে। অসংখ্য মানুষ এই সময় কোনো কাজ করতে পাড়ছেন না। এই চলমান পরিস্থিতিতে দেশে অসংখ্য বিত্তবান মানুষ অসহায় মানুষদের নানা ভাবে সহায়তা করে আসছেন। এমনকি বিনোদন জগতের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা এই পরিস্থিতিতে অসংখ্য অসহায় মানুষ কে নানা ভাবে সহায়তা করছেন। তেমনি এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজল গত দেড় বছর ধরে অসংখ্য মানুষ কে নানা ভাবে সহায়তা করেছেন।


মনোয়ার হোসেন ডিপজল। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ব্যানারে অসহায় শিল্পীদের জন্য জায়েদ খান নিরন্তর পরিশ্রম করে সহায়তা তুলে দিয়েছেন। ধাপে ধাপে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে দেড় বছর ধরে। এর মধ্যে ঈদে বাড়তি সহায়তাও করা হয়েছে। শিল্পী সমিতির এই ফান্ডে মোটা অঙ্কের টাকা দিয়েছেন ডিপজল। ফলে অসহায় শিল্পীরা ডিপজলের বিষয়ে বেশ ইতিবাচক।

এ প্রসঙ্গে কথা হয় মনোয়ার হোসেন ডিপজলের সঙ্গে। কী পরিমাণ সহায়তা করেছেন, কাদের সহায়তা করেছেন- ’বিষয়গুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল। ডিপজল গণমাধ্যমকে বললেন, ’আমি যেসব মাইনষের লগে চলাফেরি করি তাগো লিগা কিছু করুম না এইটা তো হইতে পারে না। এই টাইমে অরা বিপদে পড়ছে, আমগো চলচ্চিত্রের মাইনষে বিপদে পড়ছে। আমি চেষ্টা কইরা যাইতাছি তাগো পাশে থাকনের।’

ঢাকাই ছবির এই অভিনেতা বলেন, ’এই পর্যন্ত আমি পাঁচ কোটি টেকার ত্রাণ দিছি বিভিন্ন জায়গায়। মানে এফডিসিতে দিছি। সাভারে দিছি। মিরপুরে দিছি, সবাই জানে তো। আমি তো চেষ্টা কইরা যাইতাছি। এই টেকার অঙ্কে আসলে কইবার মন চায় না। কারণ আমার কাছে মনে হয় এইটা তেমন কিছু না। আমি আরো ত্রাণ দিমু, সেইটার প্রস্তুতি নিতাছি। আমি চেষ্টা করতাছি আপনারা আমার লিগা দোয়া কইরেন।’

গত বছর এফডিসিতে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে ডিপজল বলেছিলেন, ’শিল্পী সমিতিতে তো অল্প কয়েকজন মানুষ, ৩০০-৪০০ হইবো। ওইটা কোনো সমস্যা না। শিল্পী গো লিগা সমস্যা হইবো না। তয় আমি আমার এলাকায় যতটুক পারছি দিছি। এহন তো দুর্যোগ তেমন নাই। আবার মানুষজন বিপদে পড়লে আমি হেল্প করমু।

উল্লেখ্য, তিনি ইতিমধ্যে অসংখ্য পরিবারকে নানা ভাবে সহায়তা করে আসছেন। আর এই সহায়তা তিনি সামনের দিনে বাড়াতে চান বলে জানান। তিনি এর আগে বলেছিলেন আমি আমার এলাকার সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম এবং এখনো আছি। তিনি আরও বলেছিলেন দেশের মানুষ আমাকে অভিনেতা হিসেবে চিনেন। তবে আমি তো এর আগে জনগণের প্রতিনিধি আছিলাম। আর তাদের জন্য তো আমার অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে বলেন তিনি।