বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন এর মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কোনো ভাবে পরিচয় হলেই সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আর এই সম্পর্ক একটা সময় প্রেমের দিকে যায়, এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে। তবে এই অবৈধ প্রেমের কারণে অসংখ্য সুখের সংসার শেষ হয়ে যাচ্ছে। এমনকি সন্তান রেখে পালিয়ে যায় প্রেমিকা। আর এবার তেমনি একটি অবৈধ প্রেমের ঘটনা প্রকাশ্যে এলো। তবে সেই প্রেমিক প্রেমিকা কে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মোবাইল ফোনে পরিচয়। এক পর্যায়ে এ পরিচয় রূপ নেয় প্রেমে। দীর্ঘদিন ধরে চলছিল মন দেয়া-নেয়া। পরে ঘর বাঁধার রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে প্রেমিকের হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি দেন দু’সন্তানের জননী প্রেমিকা। কিন্তু সে স্বপ্নে বাদ সাধে বেরসিক পুলিশ। পালিয়ে যাওয়ার ৯ দিনের মাথায় প্রেমিকসহ তাকে পাকড়াও করে পাঠানো হয় জেলহাজতে। ঘটনাটি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের। সূত্র জানায়, ১১ই জুলাই ভোরে উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের তেলিকোনা গ্রামের আমিনুর রহমানের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী তানিয়া বেগম (২৮), তার প্রেমিক এক সন্তানের জনক সোহেল রানার হাত ধরে ঘর ছাড়েন।

হোটেলবয় সোহেল রানা (২৮) মানিকগঞ্জ জেলার সদর থানার খালিন্দা গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে। এ ঘটনায় বিশ্বনাথ থানায় স্ত্রী ’নিখোঁজ’ ডায়েরি করেন আমিনুর রহমান। জিডি’র তদন্তে নেমে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের এসআই অলক দাস ১৯শে জুলাই সন্ধ্যায় প্রেমিক সোহেল রানার বসতবাড়ি থেকে তাকেসহ প্রেমিকা তানিয়া বেগমকে আটক করেন। উদ্ধার করা হয় আনুমানিক প্রায় ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার। পরদিন ২০শে জুলাই ৫৪ ধারায় সিলেট আদালতে পাঠালে আদালত তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করেন। বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ গাজী আতাউর রহমান বলেন, মেয়েটি ইচ্ছে করেই তার প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায়। প্রেমিকসহ তাকে উদ্ধার করে কোর্টে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সূত্র: মানবজমিন


উল্লখ্য, দেশের বিভিন্ন স্থানে এমন অবৈধ প্রেমের ঘটনা বেড়েই চলেছে। অনেকে মনে করছেন সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা না থাকায় প্রতিনিয়ত এমন অবৈধ প্রেমের ঘটনা বাড়ছে। আর এতে করে অনেক সংসার শেষ হয়ে যাচ্ছে। এমনকি সন্তানরা অসহায় হয়ে কোথাও ঠাই পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি থেকে বেড়িয়ে আসার জন্য অবশ্যই সঠিক ধর্মীয় শিক্ষা প্রয়োজন বলে মনে করেন অনেকে।