পারিবারিক সমস্যার কারণে অনেক সময় স্বামী-স্ত্রী ভালো থাকতে পারেন না। এমনকি স্বামীর হাতে অনক স্ত্রী শে’ষ হয়ে যান। এবার তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায়। জানা গেছে স্বামীর কাছে প্রায় সময় নি/র্যা/তনের শিকার হচ্ছিল স্ত্রী। তবে এবার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীকে শেষ করেছেন তার স্বামী। ইতিমধ্যে তার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় স্ত্রী আদুরী বেগমকে (২১) হ’’ত্যা’’র অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। রোববার মধ্যরাতে ঘোড়াঘাট উপজেলার শীধল গ্রামে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। আটককৃত আতিয়ার রহমান (২৪) ঘোড়াঘাট উপজেলার শীধল গ্রামের শাহাদুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, যৌতুকের কারণে পারিবারিক সমস্যা লেগেই থাকত। রোববার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে আতিয়ার রহমান তার স্ত্রী আদুরী বেগমকে মারপিট করে হত্যা করেন। এ সময় এক ব্যক্তি মারপিটের ঘটনা দেখে ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা চান। কিন্তু পুলিশ সেখানে সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি বলে জানা গেছে। পরে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। একই রাতে অভিযান চালিয়ে স্বামীকে আটক করা হয়।

নিহত আদুরীর বাবা শহিদুল ইসলাম জানান, ৪ বছর আগে আতিয়ারের সাথে বিয়ে হয়েছিল তার মেয়ে আদুরী। যৌ’’তু’’কে’’র কারণে শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায়ই নির্যাতন করত তার মেয়েকে। তারা সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য কখনো মুখ খুলতেন না।

এ ঘটনার বিষয়ে ঘোড়াঘাট থানার ওসি আজিম উদ্দিন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’’র্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, অনেকে অভিযোগ তুলছেন এই স্ত্রীর সঙ্গে সব সময় খারাপ ব্যবহার করতেন তার স্বামী। এমনকি প্রায় সময় গায়ে হাত দিতেন। তবে পারিবারিক ভাবে এই সকল সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা হলেও তা আর হয়ে ওঠেনি। অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সেই আদুরীকে।