বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক আগের থেকে অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ প্রায় সময় ভারত কে নানা রকম সুবিধা দিয়ে আসছে। এদিকে, বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ভারত কে বাংলাদেশ থেকে যাতাযাত ব্যবস্থার জন্য অনেক বড় সুবিধা দিয়েছে। এছাড়া প্রায় সময় এই দুই দেশ একে অপরের সাথ যোগাযোগ করার জন্য নতুন সেতু নির্মান করছে। তেমনি এবার একটি নতুন সেতু উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেনী নদীর ওপর নির্মিত বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু বন্ধুত্বের বন্ধন নয় বরং দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে বৃদ্ধিতেও অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সীমানা যেন দু’দেশের বাণিজ্যে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। আর সেই লক্ষ্যে কাজ করছে বাংলাদেশ-ভারত।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন ঘোষণা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এই সেতু দিয়ে ত্রিপুরার সাবরুমের সাথে সরাসরি যুক্ত হল বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির রামগড়। শুধু তাই নয়, চট্টগ্রাম বন্দরের সাথেও সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হলো ত্রিপুরার। এই মৈত্রী সেতু এই অঞ্চলের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লাগবে। আমরা ভুলি নাই আপনারা কীভাবে ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযু’দ্ধে সহায়তা করেছিলেন এবং আশ্রয় দিয়েছিলেন। আমরা ভারতকে সব সময়ই যথা সম্ভব সহায়তা করবো।

ফেনী নদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত। সেতুটি বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য বাড়াতে আরও সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই সেতুর মাধ্যমে সরাসরি চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সঙ্গে যুক্ত হবে ত্রিপুরা। ৮২.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগড়ের মহামুনিতে ২৮৬ একর জমির ওপর ’মৈত্রী সেতু’ নির্মিত হয়েছে।
সূত্র:বিডি প্রতিদিন


উল্লেখ্য, এর আগে বাংলাদেশের সঙ্গে বেশ কয়েকটি পথ থেকে ভারতে যাতায়াত ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ভারত কে নানা রকম সুবিধি দিলেও এখনো ভারত বাংলাদেশ কে তেমন বড় কোনো সুবিধা দিচ্ছে না। বিশেষ করে বাংলাদে কে এখনো সঠি ভাবে পানি দিচ্ছে না ভারত। আর এবার এই নতুন সেতু উদ্বোধন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।