এই রিজার্ভ বাড়ানোর কোন ম্যাজিক হাসিনার হাতে নাই : পিনাকী

সম্প্রতি অবৈধ্য ভাবে বিদেশে টাকা পাচার ও দু/র্নীতির কারনে রিজার্ভ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য সরকার রাশিয়া-ইউক্রেন যু/দ্ধের প্রসঙ্গ সামনে আনছে। মেগা প্রকল্পগুলোতে থেকে অর্থ লুপাট ও দুর্নীতির মাধ্যমে নেতাকর্মীদের পকেটে টাকা ঢুকানোর সুযোগ করে দেওয়ায় এমন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। যার দায় ভোগ করতে হচ্ছে জনগণকে। এ প্রসঙ্গে নিয়ে সামাজিক যো/গাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যা/টাস দিয়েছেন পিনাকী ভট্টাচার্য পা/ঠকদের জন্য হুবহু নি/চে দেওয়া হলো্।

একটা খবর চাউর হয়েছে যে রিজার্ভে মাত্র ক্যাশ ডলার আছে ৫.৬ বিলিয়ন ডলার। আর বন্ড, সোনা ইত্যাদি মিলিয়ে আছে আরো ৮ বিলিয়ন ডলার। মানে মোট সাড়ে তেরো বিলিয়ন ডলার। সরকারের ঘোষিত ২৬ বিলিয়ন ডলারের অর্ধেক।

রিজার্ভের ঔনারশিপ বা মালিকানা যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়, তাইলে তার ব্যালান্স শিটে এই ফিগারগুলো থাকার কথা। এইটা পাব্লিক হওয়ার কথা। অথচ দেখেন দেশের মানুষ জানেই না তার দেশের রিজার্ভ কতো। একেক জন একেক কচকচানি করতেছে। কিন্তু এইটা একটা সিম্পল একাউন্টিং ডকুমেন্টে থাকার কথা। পৃথিবীর সব দেশের রিজার্ভ আপনি জানতে পারবেন শুধু বাংলাদেশেরটা জানতে পারবেন না। আজিব বাত!

তবে যেই দেশের রিজার্ভ মাসে তিন বিলিয়ন করে কমতেছে আর আমদানী ব্যয় মাসে আট বিলিয়ন ডলার তার ১৩ ই কী আর ২৬ ই কী?
এই রিজার্ভ বাড়ানোর কোন ম্যাজিক হাসিনার হাতে নাই। একমাত্র সমাধান হাসিনার পদত্যাগ। আন্তর্জাতিক মহল বুঝে গেছে হাসিনার শাসন বেশীদিন নাই। তারা বুঝে গেছে হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনায় দক্ষ না। তারে যাই দেয়া হবে সে খাইয়া ফেলবে। হাসিনা পরবর্তী সরকার সব মহল থেকে সাহায্য পাবে। হাসিনা যেই সিস্টেমে চালায় সেই সিস্টেমই রিজার্ভ সংকটের মুল কারণ তাই হাসিনার অপসারণেই রিজার্ভের সংকট কাটবে। বাংলাদেশ রক্ষা পাবে। নইলে আরো গভীর থেকে গভীরতর সংকটে দেশ ডুবে যাবে। হাসিনার লক্ষ্য হচ্ছে এমন পয়েন্ট পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা যেই পয়েন্টের পরে যেই ক্ষমতায় আসুক দেশকে আর টেনে তুলতে পারবে না। তাই সে বাকীতে জিনিসপত্র কিনবে আর এই পর্বতপ্রমাণ ঋণের বোঝা পরবর্তী সরকারের উপরে চাপায়ে দিয়ে ভাগবে যেন পরের সরকার চেষ্টা ও আন্তরিকতা থাকলেও যেন সফল না হয়।

আপনার বাজারের থলে দেখেন। নিজের উপার্জন দেখেন। নাভিশ্বাস উঠেছে কিনা আপনার। আপনার অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হয়েছে কিনা। এইটা আরো খারাপ হবে সামনে।

বাংলাদেশে এল সি বন্ধ আজ দেড় মাস। যারা বড় ব্যবসায়ী আর যাদের রপ্তানি আছে তারাই কিছু এল সি খুলতে পারতেছে।, তার মানে বাংলাদেশ যা যা আমদানি হতো তা বাজারে পাওয়া যাবেনা। চাল, চিনি সোয়াবিন তেল, আটা, ওষুধ পাওয়া যাবেনা। বলছিলাম না? আচ্ছা আসেন আমরা একটু বাজারে এর কী প্রভাব পড়ছে সেইটা দেখি, বাংলাদেশের সংবাদপত্র থেকেই।

প্রথম আলো বলতেছে, শুধু দাম নয় বাজারে নিত্যপণ্যের সরবরাহ কমে যাচ্ছে যেমন প্যাকেটজাত চিনি ও আটা অধিকাংশ দোকানে নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া গেলেও মুদিদোকানিরা বলছেন, ঘাটতি আছে। দুই সপ্তাহ ধরে অধিকাংশ তেল পরিশোধনকারী কোম্পানি নতুন করে সয়াবিন তেল সরবরাহ করেনি। দ্রুত সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এসব পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা খুচরা ব্যবসায়ীদের। দেখেন আমি বলছিলাম ছয় সপ্তাহ ধরে এল সি হয় না। মানে এক মাসের চালান ছিলো। সেই চালান শেষ হইছে দুই সপ্তাহ আগে। এই সাপ্লাই জিন্দেগীতে হাসিনা স্বাভাবিক করতে পারবে না। আমি হাসিনার পকেটের অবস্থা এইখান থিকা দেখতে পাই।

প্রসঙ্গত, জোর করে ক্ষমতায় টিকে থেকে অর্থনৈতিক অবস্থা শেষ করে আর টিকে থাকার সুযোগ নেই সরকারের মন্তব্য করেন পিনাকী ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, সরকার আবারও ক্ষমতায় আসার জন্য শেষ ধাক্কা দিবে কিন্তু সেটা আর সম্ভব হবে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *