এ রকমও দিন গেছে, যখন আমাকে ভাবতে হয়েছে পরের বেলা আমি আদৌ খাবার পাব তো : মিঠুন

বলিউড সিনেমার আলোচিত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শক ও ভক্তদের ‍হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। আলোচিত এই অভিনেতা একই সঙ্গে হিন্দী, বাংলাসহ বিভিন্ন সিনেমায় অভিনয় করেছেন। বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারনে প্রায় আলোচনার এসে থাকেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনের কথা বলতে গিয়ে জীবনের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে যেটা জানালেন আলোচিত এই অভিনেতা।

গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে মিঠুন চক্রবর্তীকে। এমনকি রাতেও এ বিষয় নিয়ে চোখের জ/ল ফেলতেন তিনি।

সম্প্রতি সারেগামাপা লিটল চ্যাম্পসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব স্মৃতিচারণ ক/রেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমসের খবর।

তিনি ডিস্কো কিং স্পেশাল এপিসোডে হাজির হন; পদ্মিনী কোলাপুরে সঙ্গে ছিলেন তার।

মিঠুন বলেন, আমি কখনই চাই না আমাকে যে ধরনের সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, অন্যদের বেলায় সেটা হোক। অনেকে সেই সংগ্রামের সম্মুখীন হন, কিন্তু আমার গায়ের রঙ নিয়ে আমাকে সবসময় কটাক্ষ করা হতো।

বহু বছর এই অপমান আমাকে সহ্য করতে হয়েছে। আমি খালি পেটে ঘুমাতে গেছি এমন দিনেও গেছে। কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়তাম। এ রকমও দি/ন গেছে, যখন আ/মাকে ভাবতে হয়েছে প/রের বেলা আমি আদৌ খা/বার পাব তো ? ফুটপাতেও ঘুমিয়েছি একদিন।

মিঠুন বলেন, এ কারণেই আমি কখনই চাই না আমাকে নিয়ে বায়োপিক তৈরি হোক। কারণ আমার জীবনে যা ঘটেছে, সেটি যাতে আর কারর জীবনে না ঘটে। এতে অনেকের মন ভে/ঙ্গে দেবে।

আমার গল্প কাউকে অনুপ্রাণিত করবে না। বরং মানুষ তাদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যেতে ভয় পাবে।

হিট ছবি দিয়েছি বলে আমি কিংবদন্তি নই, তবে নিজেকে কিংবদন্তি মনে করি। কারণ আমি জীবনের সব কষ্ট ও সংগ্রামকে জয় করেছি।

মিঠুন ১৯৭৬ সালে মৃগায়া দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন এবং তার প্রথম চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় পুরস্কার জিতে নেন। আশি এবং নব্বইয়ের দশকে বেশ কিছু হিট দিয়েছেন – যেমন ডিস্কো ডান্সার, ওয়ারদাত, বক্সার, অগ্নিপথ। এ বছর তাকে শেষ দেখা গিয়েছিল ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিতে।

প্রসঙ্গত, তার আজকের অবস্থানের জন্য অনেক সমস্যার মুখোমুখী হতে হয়েছে মন্তব্য করেন আলোচিত এই অভিনেতা। তিনি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে যেন কেউ না পড়েন সেটাই তার প্রত্যাশা।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *