আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোয়ন পেতে চাই : সিদ্দিক

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। অসংখ্য নাটক, টেলিফিল্মে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরী করে নিয়েছেন জনপ্রিয় এই নাট্য অভিনেতা। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। যদিও বিগত নির্বাচনে এমপি প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন কিন্তু দল থেকে মনোয়ন পাননি। তবে এবার তিনি ভিন্ন ভাবে আগাতে চান এবং তার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে যা জানালেন তিনি।

২০০৭ সালের শেষ দিকে, ইফতেখার আহমেদ ফাহমির জন্য লিখেছিলেন, “কবি বলেছেন। এটাই ছিল সিদ্দিকের প্রথম কাজ। কিন্তু পর্দার অভিনেতা সিদ্দিক হিসেবে দীপঙ্করকে দীপনের রুদ্র ও রোদেলা কাব্যতে ‘কাউয়া সিদ্দিক’ নামে অ/ভিষিক্ত হন। এরপর অভিনেতা হিসেবে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সিদ্দিককে।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন সিদ্দিকী। এবারের রাজনৈতিক পরিকল্পনা, সাম্প্রতিক ব্যস্ততা, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা হয় সিদ্দিকীর সঙ্গে।

এখন কী নিয়ে ব্যস্ত, কী করছেন?

এখন নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ত আছি। আগামী নির্বাচনে আ/ওয়ামী লীগ থেকে ম/নোয়ন পেতে চাই। বেড়েছে রা/জনৈতিক তৎপরতা। কেন্দ্রীয় পর্যায়ে চলা/ফেরা বাড়িয়েছে। এছাড়াও টাঙ্গাইল যা/তায়াত এবং সেখানে বিভিন্ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করছি। এই মুহূর্তে মাথায় আগামী নির্বাচন নি/য়ে চিন্তা, অন্য কিছু করছি না। এখন টেলিভিশনে রাজনৈতিক টকশোতেও যাচ্ছি।

টাঙ্গাইল থেকে নির্বাচন করবেন?

সেখানে নিয়মিত সামাজিক কর্মকাণ্ড করছি। গণসংযোগ করছি। আমি সব সময় টাঙ্গাইল-১ আসনের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে এবার ঢাকা-১৭ আসন থেকে আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। এ আসনে ফারুক ভাই নির্বাচন করেছেন। এটি ভিআইপি এলাকা। এ আসনে শিল্পীরা নির্বাচিত হন। ফারুক ভাই অসুস্থ থাকায় এ আসন থেকে নির্বাচন করতে চাই। ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছি।

হঠাৎ করে গুলশান কেন?

সঙ্গে সঙ্গে নয় আমি এখন গুলশানের মানুষ। মরিয়ম টাওয়ারে অফিস। বাড়ির পাশেই। বর্তমানে আমি গুলশানের বাসিন্দা। এখানে আ/মার সব। এ কারণে এ আসনেও মনোনয়ন চাইব বলে ভেবেছি।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন কিছু…

এখন বিয়ের কথা ভাবছি না। হয়তো বিয়ে করবো। এমন একজনকে করবো যার সাথে বাকি জীবন কাটাবো। একবার বিয়ে করে যে ধারনা হয়েছে, এবার করলে চিন্তা-ভাবনা করে করতে হবে। তাছাড়া আগের বিবাহ বিচ্ছেদের যে কারণগুলো উল্লেখ করা হয়েছে আমি সেগুলো তদন্ত করছি। এখন আমাকে বিয়ে করতে হলে আমার ছেলের কথা ভাবতে হবে।

আপনার ছেলে কার সাথে থাকে?

আমি আমার ছে/লেকে মানুষ মতো মা/নুষ বানাতে চাই। আমি এখনও তার কথা ভেবে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি। এদেশে ছেলেদের ক/থা আসে না। সিঙ্গেল মায়েদের ক/থা উঠে আসে। আমি আমার ছেলেকে মানুষ করছি। আমি সিঙ্গেল পিতা। আমি আমার ছেলে আরাশকে সিঙ্গেল ফাদার হিসেবে বড় করছি। ছেলে আমার সাথে থাকে, তার মার স/ঙ্গেও থাকে। আমি ভাবছি সিঙ্গেল ফাদার শব্দটিও প্রতিষ্ঠিত করা যায় কিনা। আমি হয়তো বিয়ে করতে নাও করতে পারি। আমি বিয়ে করতে চাই না এবং ডিভোর্স দিতে চাই না।

মারিয়া মিমের সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ কী?

আসলে আমি এটা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। আপনি জানেন তিনি নিজেই চলে গেছেন। আমি শুধু বলব মিডিয়ার বর্ণিল জীবনের প্রতি আকৃষ্ট তিনি। তিনি ভেবেছিলেন এখানে বড় কিছু হবে। কিন্তু তিনি যে পথে হেঁটেছিলেন তা সঠিক পথ ছিল না। যার ফলে তিনি দে/খেছেন কি হয়েছে। রঙিন পৃথিবী আসলে রঙিন নয়। বিচ্ছেদ মূলত তার ইচ্ছার কারণে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হতে চান জনপ্রিয় এই অভিনেতা। তবে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি এখন চিন্তিত না এমনটায় জানান।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *