এবার মুসা বিন শমসের ও তার স্ত্রীকে ডেকেছে গোয়েন্দা পুলিশ

বাংলাদেশের আলোচিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের কে নিয়ে প্রায় সময় নানা রকম আলোচনা শুরু হয়। দেশের এই প্রভাবশালী ব্যক্তির দেশ বিদেশে বিপুল সম্পদ রয়েছে। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তার ব্যবসা রয়েছে। আর এই ব্যসার কারণে তার সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার যোগাযোগ রয়েছে। আর এই প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রায় সময় দেশে আসেন। রাজধানী ঢাকা শহরে তার বিশাল বড় বাড়ি রয়েছে। এদিকে, এই প্রভাশালী ব্যক্তিকে নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে। তাকে ও টার স্ত্রীকে এবার ডেকেছে গোয়েন্দা পুলিশ। এই বিষয়ে এবার বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ পেল।

প্র’তারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার আব্দুল কাদের চৌধুরী ওরফে কাদের মাঝির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং তার দেওয়া তথ্যের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসের ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

মঙ্গলবার দুপুরের পর সস্ত্রীক মুসা বিন শমসের ডিবি কার্যালয়ে আসার সময় দিয়েছেন বলে গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, রোববার তার ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। মঙ্গলবার মুসাকে ডাকা হয়েছে। তাকে প্রতারকের বিষয়ে কিছু প্রশ্নত্তর করা হবে।

এর আগে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সচিব পরিচয়ে গ্রেফতার আবদুল কাদেরের প্রতিষ্ঠানে শমসেরের একাধিক ছবি টাঙানো রয়েছে। তিনি নিজেকে পরিচয় দিতেন শমসেরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অ্যাডভাইজার হিসেবে। প্রতারক আব্দুল কাদেরের কাছ থেকে মুসা বিন শমসের ও তার স্ত্রীর সঙ্গে করা কিছু চুক্তিপত্র উদ্ধার করা হয়।

এসব বিষয় জানতেই মূলত শমসেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

ডিসি মশিউর রহমান বলেন, আব্দুল কাদের চৌধুরীর আসল নাম, আব্দুল কাদের মাঝি। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা দশম শ্রেণি। কিন্তু তিনি প্র’তারণামূলকভাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আইডি কার্ড, ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে, নিজেকে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে পরিচয় দিতেন। নিজের এক কোটি ২০ লাখ টাকার প্রাডো গাড়িতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে ঢুকতেন সচিবালয়ে।

উল্লেখ্য, ওই আব্দুল কাদের চৌধুরী ওরফে কাদের মাঝির সম্পর্কে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এমনকি তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে চলাফেরা করে ক্ষমতার দাপট দেখাতেন। এছাড়া তিনি নানা রকম অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ গড়েছেন। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পেত না। তার সঙ্গে সব সময় দেহ রক্ষী থাকতো। তবে এবার তিনি ধরা পড়েছেন। আর তাকে আটক করার পর এই প্রভাবশলী ব্যক্তির নামও উঠে এসেছে। যার কারণে এই প্রভাশালী ব্যক্তি ও তার স্ত্রীকে ডেকেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *