ছাত্রীর সঙ্গে খারাপ কাজ ও ছবি তুলে আবার খারাপ কাজ করতে চায়

সমাজে কিছু খারাপ চরিত্রের শিক্ষকের কারণে ছাত্রীরা নিরাপদ থাকতে পাড়ছে না। ওই সকল খারাপ চরিত্রের শিক্ষকরা ছাত্রীর সঙ্গে খারাপ কাজ করার জন্য নানা রকম চেষ্টা করে। এমনকি পড়ানোর কথা বলে সুযোগ পেলে ছাত্রীর সঙ্গে খারাপ কাজ করে এবং সেই সকল কান্ডের ছবি ও ভিডিও ধরাণ করে রাখে। আর সেই সকল খারাপ ছবি ও ভিডিও আিনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে আবারও ওই ছাত্রীর সঙ্গে খারাপ কাজ করতে চায়। এই সকল ঘটনা ছাত্রী সব সময় বলে না। কেনোনা এক হল লজ্জার ভয়। এছাড়া ওই খারাপ চরিত্রের শিক্ষকও নানা রকম ভী’তি দেখায়। আর এবার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে তেমনি একটি অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিষয়ে এবার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে এলো।

বান্দরবানে ছাত্রীর সঙ্গে খারাপ কাজ ও ছবি তুলে আবার খারাপ কাজ করার হু”ম’কি দেয়ার অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শনিবার রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাসেম খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ওসি আবুল কাসেম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে শনিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার প্রধান শিক্ষক ছিলেন ওই ছাত্রীর গৃহশিক্ষক। ২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত মেয়েটি ওই শিক্ষকের কাছে পড়তেন। ২০১৯ সালের আগস্টে ওই শিক্ষক তাকে ভ’য়’ভী’তি দেখিয়ে খারাপ কাজ করে।

ওসি জানান, “এই শিক্ষক ২০১৯ সালে খারাপ কাজের সময় মেয়েটির ছবি এবং ভিডিও তোলে। পরে সেটি পাঠিয়ে আবারও তার সঙ্গে খারাপ কাজ করতে চায়। মেয়েটা ভ”য় পেয়ে তার পরিবারকে বলে দেয়। এরপর মেয়েটির বোন বাদী হয়ে থানায় মামলা করে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন মানুষ জানান, যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি অত্যন্ত দুর্গম এলাকা। সেখানে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে কেউ ভ”য়ে-লজ্জায় মুখ খুলতে চান না।

এদিকে, এই শিক্ষক কে গ্রেফতার করার পর নানা রকম সমালোচনা চলছে। অনেকে বলছেন শিক্ষক হচ্ছে একজন অভিভাবক আর সেই শিক্ষক যদি এমন কান্ড ঘটায় তবে ছাত্রীরা কোথায় নিরাপদ থাকবে। এই শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তি চায় ছাত্রীর পরিবার। এদিকে, ওই ছাত্রীর শারীরিক পরিক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই শিক্ষকের কান্ড নিয়ে ওই এলাকায় বেশ আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। আর স্থানীয় সকলে এই ঘটনার বিচার চেয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *