গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যাকাণ্ডের দশদিন পার না হতেই ওই আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
যে দুজনের নাম বেশি আলোচনায় আসছে তারা হলেন প্রয়াত সংসদ সদস্য লিটনের স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা আহম্মেদ।
তবে এখনো আসনটি শূন্য ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। তার আগেই এই আসনে কাকে মনোনয়ন দেয়া যায় এ নিয়ে ভাবনায় আছে ক্ষমতাসীন দল। এখনো এই ভাবনা প্রাথমিক পর্যায়েই। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে এখনো এ নিয়ে আলোচনা করেনি দলের মনোনয়ন বোর্ড।
এলাকায় সাংগঠনিক দায়িত্বে আছেন এমন নেতারা নিজেদের মধ্যে শলা পরামর্শ করছেন। লিটনের পর ওই আসনে কাকে মনোনয়ন দেয়া যায়-এই বিষয়টি নিয়ে কেবল আবেগ থেকে সিদ্ধান্ত নিতে চায় না ক্ষমতাসীন দল।
জামায়াত অধ্যুষিত ওই এলাকায় দলটির সম্ভাব্য নাশকতা বা দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড কে শক্ত হাতে প্রতিহত করতে পারবেন-এটাই মূল ভাবনায় আওয়ামী লীগের।
আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো জানায়, এখন পর্যন্ত উপ-নির্বাচনে দলের মনোনয়ন নিয়ে আলোচনায় আছেন দুইজন। একজন হলেন প্রয়াত সংসদ সদস্যের স্ত্রী খুরশিদ জাহান স্মৃতি এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা আহম্মেদ।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ জামায়াত প্রভাবিত একটি এলাকা। স্বাধীনতার পরে এ এলাকায় আওয়ামী লীগের অবস্থান সুদৃঢ় করতে কাজ করেছে লিটন। তিনি কীভাবে এই অসাধ্য সাধন করেছেন-এটি কাছ থেকেই দেখেছেন তার স্ত্রী। এ কারণে রাজনীতিতে সেভাবে সক্রিয় না থাকলেও তার একটি দীক্ষা হয়েছে স্বামীর মাধ্যমেই।
অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফাও একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। ছাত্র রাজনীতিতে দলের জন্য তার অবদান অনেক। তাই লিটনের পরিবারের কেউ মনোনয়ন না পেলে তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন।
উল্লেখ্য, গত (৩১ ডিসেম্বর) শনিবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এমপি লিটনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলা

উৎসঃ আরটিএনএন

News Page Below Ad