মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে প্রথম থেকেই বিশ্ববাসী ব্যাপক আগ্রহী ছিলো। আর এরপর যখন দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হল তখন থেকে তাকে কোটি কোটি মানুষ অভিনন্দন জানাচ্ছে। এদিকে, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কে অভিনন্দন জানাচ্ছে। আর তার এই জয়ে দেশের বৃহত্তম দল বিএনপিও অনেক খুশি। বেশ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে বেশ কিছু ভালো সংবাদ দিয়েছে যার কারণে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার ভক্ত হয়ে গেছেন।

নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের বক্তব্য শুনে তাদের ’ভক্ত হয়ে গেছেন’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল ইসলাম বলেন, ’বক্তব্য কী! পুরো জাতির জন্য বক্তব্য! কোনো দল বা ব্যক্তির জন্য নয়। দিস উড বি দ্য স্পিরিট অব আ ডেমোক্রেটিক লিডার।’

এসময় তিনি সাংবাদিকদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ’জো বাইডেন আর কমলা হ্যারিসের বক্তৃতাগুলো শোনেন। আমি তো ভক্ত হয়ে গেছি।’

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ’লিডার! নেতা হবেন তিনি, যিনি এভাবে বক্তব্য রাখেন। এত কিছুর পরে বলছেন (জো বাইডেন) যে, ’লেটস ফরগেট, চলেন আমরা আমেরিকাকে নীল রাজ্য আর লাল রাজ্যে বিভক্ত না করি, এটা যুক্তরাষ্ট্র।’

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, ’আজকে ঠিক একইভাবে বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি না করে আমরা আজকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তৈরি করি, মুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র তৈরি করি। এখানে প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক রাখি।’

ফখরুল বলেন, ’যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে গণতন্ত্রের যে অবস্থা, সেটা সবচেয়ে শক্তিশালী। সেখান থেকে এই শিক্ষা নিয়েছি যে, প্রতিষ্ঠানগুলো যদি গণতান্ত্রিক থাকে, তারা যদি দাঁড়িয়ে যায়, ইনস্টিটিউশনগুলো যদি বিল্ডআপ হয়, তাহলে কেউ জোর করে ক্ষমতা নিতে পারে না বা জোর করে কেউ কিছু করতে পারে না।’


এই সংবাদ সম্মেলনে আরও অনেক রাজনৈতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আর তারা সবাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বিজয়ে অনেক আনন্দিত। তারা আশা করছেন জো বাইডেন তার সকল কথা রাখবেন। ইতিমধ্যে জো বাইডেন বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখার কথা বলেছেন। এমনকি তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রামের বেশ কিছু নীতি পরিবর্তনের কথা বলেছেন।