বিএনপির সিনিয়র নেতা রুহুল কবির রিজভী ত কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে রাজধানীতে অবস্থিত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে এরপর তাকে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে নেওয়া হয়। আর এই হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। তবে বর্তমানে বিএনপির এই সিনিয়র নেতার শারীরিক অবস্থা আগের থেকে অনেকটা ভালো রয়েছে। আর এবার তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা জানালেন চিকিৎসক লুৎফর রহমান।

রাজধানীর ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিৎসক প্রফেসর লুৎফর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রফেসর ডা. সোহরাবুজ্জামান, ডা. লুৎফর রহমান, ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. আব্দুর জাহেদ, ডা. মাহাবুবুল ইসলাম, ডা. নিজাম উদ্দিন ও ডা. ফিরোজ আমিনের নেতৃত্বে গঠিত মেডিকেল বোর্ড গতকাল সোমবার রিজভীর সর্বশেষ শারীরিক পরীক্ষা করেন। এ সময় তার ইকোকার্ডিওগ্রামও করা হয়।
ডা. লুৎফর রহমান আরও বলেন, রুহুল কবির রিজভীর ফলোআপ পরীক্ষা করে দেখা যায়, তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তার হার্টের সমস্যা ৩০ ভাগ থেকে ৪৫ ভাগে উন্নীত হয়েছে। ব্লাড সুগার সামান্য নিয়ন্ত্রণহীন থাকলেও ডায়াবেটিস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে। সার্বিকভাবে তার অবস্থা আগের চেয়ে অনেক ভালো। তাই বুধবার তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হবে। তাকে বাসায় থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হবে। দেড়মাস পর আবারও তার এনজিওগ্রাম করতে হবে।
রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার জানান, ল্যাবএইডের চিকিৎসক, নার্সসহ যারা তার জন্য দোয়া করেছেন, সার্বিক খোঁজ-খবর নিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রিজভী।


উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি সমাবেশে যান এই বিএনপি নেতা। সেখানে শ্রমিক দলের এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করার শেষে হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তার বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন বলে জানা যায়। তবে এরপর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং সেখানে আগের থেকে অনেকটা ভালো রয়েছেন।