বাংলাদেশের একজন সম্মানিত ব্যক্তি তিনি। এই সম্মানিত ব্যক্তি দেশের চিকিৎসা সেবার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আপলন করে চলেছেন। এমনকি নিজের জীবনের কথা না ভেবে এই সম্মানিত ব্যক্তি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে চলেছেন। এদিকে, গত কয়েকদিন আগে এই সম্মানিত ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তিনি হাসপাতালে থাকাকালিন সময়েও দেশের সাধারণ মানুষের কথা ভেবেছেন। আর এবার এই সম্মানিত ব্যক্তি নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।


গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, মানুষের উপকার করতে না পারা গলাব্যথার যন্ত্রণার চেয়ে বহুগুণ বেশি।

শুক্রবার এক ফোনালাপে তিনি এ কথা বলেন জানিয়ে একটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

সাংবাদিক গোলাম মোর্তজার সঙ্গে ফোনে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ’আমি তো পত্রিকা পড়ছি, টিভি দেখছি, সব খোঁজ-খবর রাখছি। মানুষের হাহাকার দেখছি। চিকিৎসাবঞ্চিত মানুষের বেদনা-যন্ত্রণা দেখছি। মানুষ একটি পরীক্ষার জন্য সারারাত হাসপাতালের সামনে শুয়ে-বসে থাকছে। আর আমরা পরীক্ষা করার সব আয়োজন সম্পন্ন করেও তা দিয়ে মানুষের উপকার করতে পারছি না। এই যন্ত্রণা তো গলাব্যথার যন্ত্রণার চেয়ে বহুগুণ বেশি। ফু’সফুসের ইনফেকশনের চেয়ে এই মানসিক ইনফেকশন তো আরও বেশি বেদনার। ফু’সফুস বা গলার ইনফেকশন তো সেরে যাবে। এই মানসিক ইনফেকশন সারাবো কী দিয়ে?’

তিনি বলেন, ’এই সংকটকালে মানুষের জন্য আরও কতকিছু করার ছিল আমাদের। এগুলো তো করতে হবে। অসুস্থ বলে পুরোপুরি থেমে থাকলে তো হবে না। আগে যে কাজগুলো নিয়ে তোমার সঙ্গে আলোচনা করেছিলাম, এখন সুস্থ হয়ে উঠলেই সেগুলো নিয়ে আবার বসতে হবে। কাজগুলো শুরু করতে হবে। বেশিদিন আর হাসপাতালে থাকলে হবে না।’:

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনা থেকে মুক্ত হলেও তার নিউমোনিয়ার সমস্যা রয়েছে। যা ধীরে ধীরে উন্নতি লাভ করছে। বর্তমানে তিনি তার প্রতিষ্ঠিত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।


উল্লেখ্য, এই সম্মাণিত ব্যক্তি দেশের সাধারণ মানুষের কথা ভেবে করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য কিট তৈরি করার কথা বলেন। আর সেই অনুযায়ী তার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানিরা করোনা শনাক্তের কিট উৎপাদন করে। তবে সেই করোনা শনাক্তের কিট এখনো তারা দেশের সকল স্থানে দেওয়ার অনুমতি পায়নি। আর এই কারণে এই সম্মানিত ব্যাক্তি অনেকটা হতাশার মধ্যে রয়েছেন। তিনি চান দেশের সাধারণ মানুষের কাথা বিবেচনা করে এই করোনা শনাক্তের কিট সাবার কাছে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক।