গত কয়েকদিন আগে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। আর এরপর তিনি চিচিৎসাধীন রয়েছে। এই সম্মানিত ব্যক্তি দেশে করোনা ভাইরাস দেখা দেওয়ার পর থেকে করোনা ভাইরাস শনাক্তের জন্য একটি কিট উৎপাদন করেন। এরপর সেই করোনা শনাক্তের কিট নিয়ে প্রায় সময় সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তবে একটা সময় তিনিও করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হন। তবে এই সম্মানিত ব্যক্তির করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়ার পর তিনি তাদের প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত কিট দিয়ে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করেন। এরপর তার করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। আর এরপর আইইডিসিআর তার করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হলেও সেখানে করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। আর আজ তিনি তার শারীরিক বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন।

দাম বেশি হওয়ায় ডাক্তারদের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন করোনাভাইরাস আক্রান্ত গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমার শরীর কিছুটা ভালোর দিকে। শ্বা’সকষ্ট ছিল, এখন কিছুটা কমেছে। আমি অপ্রয়োজনে ওষুধ খাই না। সূত্র- যমুনা নিউজ

উচ্চমূল্যের প্রতিবাদস্বরূপ একটি ওষুধ গ্রহণে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, আমার জন্যে একটি অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন এনেছে। ১০ ডোজ নিতে হবে। প্রতি ডোজের দাম ৮ হাজার টাকা। মোট ৮০ হাজার টাকা খরচা পড়বে। এই ওষুধ কি সাধারণ মানুষ নিতে পারবে? পারবে না। যে ওষুধ সাধারণ মানুষ কিনে ব্যবহার করতে পারবে না, সেই ওষুধ আমিও নিবো না।

সমাজে একজন বিশিষ্টজন তিনি। চিকিৎসকরা যদি প্রয়োজন মনে করেন তবে ওষুধ গ্রহণের বিষয়ে এমন অনড় অবস্থানে থাকা উচিত কিনা, অনেকেই তো জটিল রোগের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে থাকেন- এমন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, যে ওষুধ সাধারণ মানুষ কিনে ব্যবহার করতে পারবে না, সেটি আমি নিবো না। প্রয়োজনে মা’রা যাবো। সরকারকে ওষুধের দাম কমাতে হবে। আমাকে বিনামূল্যে দিতে চাইছে। আমার কথা হলো আমাকে বিনামূল্যে দিতে হবে না, দাম কমান যেন অসহায় মানুষের নাগালে থাকে।



এই সম্মানিত ব্যক্তি আরও বলেছেন আমি সব সময় ওষুধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার অসঙ্গতির বিরুদ্ধে কথা বলে যাবো। সাধারণ মানুষের জন্য সব সময় প্রতিবাদ করে যাবো। তিনি দেশের সকল মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন। এদিকে, তার পরিবারেও করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। ইতিমধ্যে তার স্ত্রী ও ছেলে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। বর্তমানে তারাও চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর এই সম্মানিত ব্যক্তি গতকাল বলেছেন তার শ্বা’সকষ্ট কিছুটা বেড়েছিল তবে আজকে অনেকটা কমেছে বলেন তিনি।