দেশে চলমান শুদ্ধি অভিযানের মাধ্যমে যারা অভিযুক্ত হয়েছে তাদেরকে গনভবনে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এছাড়া যে সকল ব্যক্তি অবৈধ কাজের সাথে জড়িত রয়েছে তারাও যেন গণভবনে প্রবেশ না করে। তাছাড়া দলের কিছু কিছু লোকদের গনভবনে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। এবার আওয়ামী যুবলীগের প্রভাবশালী চার কেন্দ্রীয় নেতা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাননি। গণভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে তাদের ওপর করা ভাবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী এই চার নেতার প্রথমেই রয়েছেন। এছাড়া বাকি তিনজন হলেন আতিউর রহমান দিপু, সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ এবং নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন এমপি।


রোববার বিকেল ৫টায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা যুবলীগ নেতাদের বৈঠকে ডেকেছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত যুবলীগ নেতারা সেখানে আসতে শুরু করেছেন। তবে দেখা যায়নি যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন ও আতিউর রহমান দিপুকে।

গণভবনে প্রবেশ করা এক নেতা সমকালকে জানান, বৈঠকে যারা থাকবেন তাদের তালিকা টাননো হয়েছে। ওই তালিকায় চার নেতার নাম নেই।

সংগঠনের নেতারা বলছেন, কিছু বিতর্কিত ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠার জন্য এদেরকে গণভবনের বৈঠকে ডাকা হয়নি। এর মানে এই চার নেতা গণভবনে প্রবেশের সুযোগ পাচ্ছেন না। এমনকি তারা আগামীতে যুবলীগের কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে আর যোগদান করতে পারবে না। এছাড়া সংগঠনের জাতীয় কংগ্রেসেও তারা আর সম্পৃক্ততা থাকতে পারবেন না। তারা বলছেন, আমাদের দেখা মতে এর আগে কখনই সংগঠনের কংগ্রেসের এই রকম বৈঠক হয়নি। কিছু নেতার নানা রকম বিতর্কিত কাজ ও নিজেদের প্রশ্নবিদ্ধ ভূমিকার কারণে এমন বৈঠকটি হয়েছে।


উল্লেখ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন যারা অবৈধ কাজের সাথে জড়িত তাদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। সে যদি আমার দলের লোকও হয় তবে তাকে কোন রকম ছাড় দেয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, এর সাথে সাথে তারা যেন গণভবনে প্রবেশ না করে।