বাংলাদেশের স্মার্ট আইডি কার্ড নিয়ে অনেকের মাঝে এখনও রয়েছে বেশ কৌতূহল। কারন অধিকাংশ মানুষের কাছে এর ব্যবহার সুস্পষ্ট নয়। বাংলাদেশে স্মার্ট আইডি কার্ড এর বিতরন অনেকটা শেষ পর্যায়ে। বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশে এই স্মার্ট আইডি কার্ড দিয়ে অনেক কাজ করে থাকে, বাংলাদেশেও একই ভাবে স্মার্ট আইডি কার্ড দিয়ে সকল কাজ করা যাবে।
উন্নত দেশগুলোতে মতো বাংলাদেশের স্মার্ট আইডি কার্ড দিয়ে সরকারি সব ধরনের কাজ, যেমন- অনলাইন সুবিধা, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স,পাসপোর্ট, সরকারি ভাতা উত্তোলন, ট্রেড লাইসেন্স, মোবাইল সংযোগ, সম্পত্তি কেনাবেচা, বীমা স্কিম, ই-গভর্নেন্স, টিআইএন প্রাপ্তি, বিয়ে রেজিস্ট্রেশন,ই-পাসপোর্ট, ব্যাংক হিসাব খোলা, ব্যাংক ঋণগ্রহণ, সহায়তা প্রাপ্তি,বিআইএন, শেয়ার-বিও একাউন্ট, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ, হেলথ কার্ড, ই ক্যাশ, ব্যাংক লেনদেন ও শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে ভর্তির কাজ ছাড়াও করা যাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কাজ।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা জানান, প্রবাসীদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে এই স্মার্ট আইডি কার্ড, কতৃপক্ষই গ্রহন করবে যাবতীয় ব্যবস্থা। এ বিষয়ে শীঘ্র কাজ শুরু হবে বলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানিয়েছেন।

সোমবার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাই আয়োজিত প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান। সভায় শুরুতে এনআইডির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রবাসীদের উদ্দেশে কথা বলেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত ডা. মোহাম্মদ ইমরান।

কনস্যুলেট সভাকক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান। কনস্যুলেটের দূতালয় প্রধান প্রবাস লামারংয়ের পরিচালনায় বিভিন্ন প্রশ্ন করেন প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরী, অধ্যাপক এম,এ,সবুর, ড.রেজা খাঁন, কাজী গুলশান আরা, আইয়ুব আলী বাবুল, কাজী মোহাম্মদ আলী, প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, আবুহেনা চৌধুরী, হাজী শফিকুল ইসলাম, সাইফুদ্দীন আহমেদ, মীর আহমেদ, কাউছার নাজ নাসের, সাংবাদিক লুৎফুর রহমানসহ আরো অনেকে।

ভুলভাবে ছাপা হওয়া পুরনো জাতীয় স্মার্ট কার্ড এডিট করা যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নুরুল হুদা জানান জানান, সমান্যতম যেসব ভুল তা অবশ্যই সমআধান করা যাবে কিন্তু পুরো নাম বদলাতে চাইলে তা করা যাবে না।

বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাসে প্রবাসীদের সুবিধা প্রদানের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের একটি টিম পাঠানো হবে। এ বিষয়ে সিইসি প্রধান বলেন, রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট পেয়ে ইতিমধ্যে বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এ ধরনের ভূল-ত্রুটি যেন জাতীয় পরিচয়পত্রে না থাকে সে জন্য সকল দেশপ্রেমী প্রবাসীদেরও আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে।

কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসন খান সভাপতির বক্তব্যে বলেন, অন্যায়ভাবে কমিউনিটির কেউ যদি কারো জাতীয় পরিচয়পত্র পাবার জন্য তদবিরের চেষ্টা করেন, তবে তাহলে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ও প্রস্তুত থাকবে।