গত কয়েকমাস আগে বালিশ কিনতে দুর্নীতি হওয়ার পর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পর্দা কেনায় দুর্নীতি হওয়ার ঘটনাকে সাধারণ ও ছোট-খাট ঘটনা হিসাবে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আজ শনিবার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পর্দা কেনায় দুর্নীতির বিষয়ে সাংবাদিকের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি একটি ছিঁচকে ঘটনা।

আজ ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির অফিসে দলের সাধারণ সম্পাদকের সাথে যুগ্ম-সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে এক বিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

বালিশ কাণ্ডের পর ফরিদপুরের পর্দা কেনায় দুর্নীতির বিষয়ে তিনি বলেন, ’এগুলো ছিঁচকে’। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে বালিশ ও পর্দা নিয়ে হাওয়া ভবনের সঙ্গে তুলনা করলে চলবে না।

অন্যদিকে, দেড় শ নেতার বিরুদ্ধে শোকজ নোটিশ পাঠানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী ছিল, তাদের শোকজ করার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। আজকে সেটা বাস্তবায়নের প্রসেস কীভাবে দ্রুত করা যায়, সেটা আলোচনা করেছি। আগামীকাল থেকে ১৫০ এর মতো শোকজ নোটিশ ইস্যু হবে। শোকজের জবাবের জন্য তিন সপ্তাহ সময় দেয়া হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমপি-মন্ত্রী যারা মদদদাতা তারাও শোকজের চিঠি পাবেন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি কাদের।

তিনি বলেন, ’মদদদাতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাও থাকতে পারে। যাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ও মদদ দেয়ার অভিযোগ আছে, তারা সবাই শোকজ নোটিস পাবে।’

ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলেও
নির্বাচনকে উৎসবমুখর করবার জন্য প্রার্থিতায় বাধা নিষেধ কমিয়ে উন্মুক্ততা রাখা হবে। আমরা মাঠে নেমেছি তার নির্দেশনা অনুযায়ী, তবে এখন আবার কেনো কঠোর হবে? ওবায়দুল কাদেরের নিকট তৃণমূলের এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ ধরনের কোন বক্তব্য দিয়েছেন বা মন্তব্য করেছেন, আপনাদের কাছে তার কি কোন রেকর্ড আছে? কথা গুলো হাওয়া থেকে এনে বললে হবে না।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারির প্রসঙ্গ টেনে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটা অনেক পুরনো কথা।

এই সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক,বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, উপ দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ।