রমজান উপলক্ষে ভেজালবিরোধী অভিযানে বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় নামি-দামি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ৫২টি খদ্যপণ্য অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া এবং উৎপাদন স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। নামি-দামি প্রতিষ্ঠানের খাদ্য পণ্য যেখানে ভেজাল মিশ্রিত সেখানে খুচরা ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করা দায় হয়ে উঠছে সাধারণ জনগণের কাছে। অন্যদিকে বড় বড় কোম্পানিগুলো কেনোই বা ভেজালের সাথে জড়িয়ে পড়ছে? বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান মনে করেন, শুধু রোজার মাসে নয় সারা বছরই এই ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা উচিত এবং সেটা শুধু রাজধানীতেই না, সারা দেশজুড়েই এই তদারকি বিদ্যমান থাকুক। এছাড়া অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হোক।
তিনি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠান সে ছোট হোক আর বড় হোক ভেজাল চিহ্নিত হলে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার ছিলো, সেটা করা হয়নি। যার ফলে এখন ভেজালখাদ্য সরবরাহের প্রবণতা বেড়ে গেছে। ছোট অপরাধেরও অনেক বড় শাস্তি হয়ে যায় আবার বড় অপরাধের কোনো শাস্তি হয় না। এই নীতি অব্যাহত থাকলে এধরনের অপরাধ আরো বাড়তে থাকবে। এখনো যারা খাদ্যে ভেজাল মেশানোর মতো অপরাধকে ছোট করে ভাবছেন তাদের সামনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি উপস্থাপন করতে না পারলে তাদের থামানো যাবে না। আর এভাবে চলতে থাকলে খাদ্যপণ্য বিষে পরিণত হতে বেশি সময় লাগবে না।

সূত্র:আমাদেরসময়