পৃথিবীতে বয়স্করা সবচেয়ে অসহায়। শিশুরাও অসহায়। তবে শিশুরা পরিবারে আনন্দ নিয়ে আসায় অসহায়ত্ব বোঝার সুযোগ পায়না। বয়স্করা উপার্জন আর কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় পরবর্তী সময়টা পরিবারে বোঝা হয়ে থাকে।
সরকার নানা বিষয়ে ভাতার ব্যবস্থা চালু করেছে। বয়স্ক ভাতাও চালু রয়েছে। কোনোটায় দেয়া হচ্ছে সম্মানজনক একটি অংক। কিন্তু অসহায় বৃদ্ধরা পাচ্ছেন প্রতিমাসে ৫০০টাকা। যা ৬ মাস পর পর ৩০০০টাকা করে একসঙ্গে দেয়া হয়।

বৃদ্ধ বয়সটাতে খাবার জুটলেও অনেকের জোটেনা চিকিৎসা সেবা। এ বয়সে প্রতিটা বৃদ্ধের শরীরের জটিল ও স্থায়ী রোগগুলো বাসা বাধে। তখন এদের মেডিসিন খরচ পরবর্তী জেনারেশনের অনেকে বহন করতে চায় না। ইচ্ছে থাকলেও ইচ্ছেমতো পছন্দের খাবারটা খেতে পারেনা।

৫০০টাকায় কি হয় এদের? অন্যরা সম্মানজনক ভাতা পাচ্ছে, বয়স্করা কেন নয়? বয়স্কদের নূন্যতম চিকিৎসা খরচের সমপরিমাণ বয়স্ক ভাতা দিলে বাকি কটা দিন সমাজ ও পরিবারে সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবেন তারা।

কাল যারা পরিবার এমনকি দেশ চালাতো আজ তার পরনির্ভর। আজ আমরা যারা যুবক আগামীকাল আমাদেরকে অন্যের ওপর নির্ভর করতে হবে। অতএব অসহায় বয়স্কদের সম্মানজনক বয়স্ক ভাতা চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

প্রস্তাবনায় রেজাউল করিম

সংবাদকর্মী ও পরিচালক, ইমপ্রুভ শিক্ষা পরিবার।
সূত্র:dhakatimes24