উচ্চ আদালতের বার বার নির্দেশনার পর অবশেষে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ওয়াসার পানি পরীক্ষার ব্যয় নির্ধারণ করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
আজ বুধবার সকালে বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। এ বিষয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিবেদনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলেছে, ওয়াসার পানির এক হাজার ৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করতে ৭৬ লাখ টাকা প্রয়োজন।

এর আগে গত সোমবার নির্দেশনার পরও ঢাকার বিভিন্ন এলাকার পানি পরীক্ষার ব্যয় নির্ধারণ ও পরীক্ষার প্রতিবেদন না দেওয়ায় ওয়াসার প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।

সেইসঙ্গে ওয়াসার পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা নির্ধারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে আজ বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন আদালত।

সোমবার ঢাকা ওয়াসার অনিরাপদ পানি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ওয়াসার পক্ষ থেকে বলা হয়, ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।

ওয়াসার এমন বক্তব্যে আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ’ঢাকা ওয়াসার ১১টি পানির জোন রয়েছে। প্রত্যেকটি থেকে দুই বোতল পানি নিয়েই তো পরীক্ষা করা যায়। কিন্তু কোনো কথাই শুনছে না স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তারা হাইকোর্টকে ’হাইকোর্ট’ দেখাচ্ছে।’

উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে পানি সংক্রান্ত বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।

ওই রিট আবেদনের পর গত বছরের ৬ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

এ ছাড়া কমিটিকে পানি পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন। সূত্র:poriborton