রান্নার সময়ে ছোটখাট কিছু ভুলের কারণে আমরা স্বাস্থ্যকর কোন খাবারকে অস্বাস্থ্যকর করে ফেলি। ’ডায়েট মিল’ তৈরির সময় এমন কিছু ভুল সাধারণত আমাদের হয়ে থাকে যা আমরা নিজেরাও জানি না। এই ভুলগুলো এড়িয়ে যেতে পারলেই নিজের তৈরি খাবারে খুব সহজেই কমানো যাবে বাড়তি ওজন।



সাম্প্রতিক ওমেনসহেলথ ডটকম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বিশ্বখ্যাত পুষ্টিবিদ রানিয়া বাটাইনা এমনই কিছু খাবারের ভুলের কথা তুলে ধরেন। তিনি পুষ্টিকর রান্নার ক্ষেত্রে প্রথমে জোর দেন রান্নার তেলের উপর। খাবার রান্নার সময় সঠিক তেল বাছাই করা খুবই জরুরি। কারণ ভুল তেল খাবারের স্বাদ নষ্ট করার পাশাপাশি পুষ্টিগুণও অনেক কমিয়ে আনে। এই বিখ্যাত পুষ্টিবিদ তার এই প্রতিবেদনে আরো জানান, সালাদে ব্যবহারের জন্য ওয়ালনাট এবং অলিভ অয়েল বেশি উপকারী। খাবারের ক্যালরির প্রসঙ্গে বাটাইনা মনে করেন,’খাবারে ক্যালরির পরিমাণ কমাতে ভাজার চাইতে বেইক করা ভালো’। এছাড়া ওভেনে রান্নার সময় অবশ্যই একটি রোস্টিং প্যান বা তারের জালির উপর মাংস বা মাছ বেইক করতে হবে। এতে চর্বি গলে নিচে পড়ে যাবে। সাধারণ প্যানে বেইক করলে চর্বির অংশ পুরোটাই খাবারের ভিতরে শুষে যায়। এই অতিরিক্ত পরিমাণ চর্বি আপনার হৃদপিণ্ডের জন্য অনেক ক্ষতিকর। তাছাড়া এই চর্বি আপনার ডায়েটের জন্য বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ঘি বা বাটারজাতীয় উপাদান ব্যবহার খাবারের পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে। অনেকের মধ্যে যেকোনো পুষ্টিকর খাবারকে অতিরিক্ত মিষ্টি করার মাধ্যমে উপাদেয় করার প্রবণতা থাকে। যেকোনো উপাদান অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারের ফলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। সেই সঙ্গে এইসব উপাদান মোটা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুষ্টিকর খাবারে সকল উপাদানের মাত্রিক পরিমাণ হবে সুষম।



খাবারে মসলা ব্যবহার করা প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ বাটাইনা বলেন, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মতো হতে হবে। বিভিন্ন লতাপাতা, যেমন: পুদিনা, লেটুস বা ধনেপাতা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। পাশাপাশি ওজন কমাতে এবং খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়াতেও কার্যকর এইসব হার্বসগুলো। আমাদের দেশে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, বেশি তেল দিয়ে রান্না করলেই খাবার সুস্বাদু হয়। কিন্তু বাটাইনা বলেন, রান্নার পাত্রে খাবার লেগে যাওয়া থেকে বাঁচাতে ঠিক যতটুকু তেল প্রয়োজন ততটুকুই ব্যবহার করা উচিত। এর থেকে বেশি তেল ব্যবহার করা কখনোই ঠিক নয়।
রান্নার যে ভুলের কারণে আপনার খাবারটি অস্বাস্থ্যকর হয়ে যেতে পারে
Logo
Print

লাইফস্টাইল

 

রান্নার সময়ে ছোটখাট কিছু ভুলের কারণে আমরা স্বাস্থ্যকর কোন খাবারকে অস্বাস্থ্যকর করে ফেলি। ’ডায়েট মিল’ তৈরির সময় এমন কিছু ভুল সাধারণত আমাদের হয়ে থাকে যা আমরা নিজেরাও জানি না। এই ভুলগুলো এড়িয়ে যেতে পারলেই নিজের তৈরি খাবারে খুব সহজেই কমানো যাবে বাড়তি ওজন।



সাম্প্রতিক ওমেনসহেলথ ডটকম ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বিশ্বখ্যাত পুষ্টিবিদ রানিয়া বাটাইনা এমনই কিছু খাবারের ভুলের কথা তুলে ধরেন। তিনি পুষ্টিকর রান্নার ক্ষেত্রে প্রথমে জোর দেন রান্নার তেলের উপর। খাবার রান্নার সময় সঠিক তেল বাছাই করা খুবই জরুরি। কারণ ভুল তেল খাবারের স্বাদ নষ্ট করার পাশাপাশি পুষ্টিগুণও অনেক কমিয়ে আনে। এই বিখ্যাত পুষ্টিবিদ তার এই প্রতিবেদনে আরো জানান, সালাদে ব্যবহারের জন্য ওয়ালনাট এবং অলিভ অয়েল বেশি উপকারী। খাবারের ক্যালরির প্রসঙ্গে বাটাইনা মনে করেন,’খাবারে ক্যালরির পরিমাণ কমাতে ভাজার চাইতে বেইক করা ভালো’। এছাড়া ওভেনে রান্নার সময় অবশ্যই একটি রোস্টিং প্যান বা তারের জালির উপর মাংস বা মাছ বেইক করতে হবে। এতে চর্বি গলে নিচে পড়ে যাবে। সাধারণ প্যানে বেইক করলে চর্বির অংশ পুরোটাই খাবারের ভিতরে শুষে যায়। এই অতিরিক্ত পরিমাণ চর্বি আপনার হৃদপিণ্ডের জন্য অনেক ক্ষতিকর। তাছাড়া এই চর্বি আপনার ডায়েটের জন্য বেশি ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত চিনি, লবণ, ঘি বা বাটারজাতীয় উপাদান ব্যবহার খাবারের পুষ্টিগুণ কমিয়ে দিতে পারে। অনেকের মধ্যে যেকোনো পুষ্টিকর খাবারকে অতিরিক্ত মিষ্টি করার মাধ্যমে উপাদেয় করার প্রবণতা থাকে। যেকোনো উপাদান অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যবহারের ফলে ক্ষতির কারণ হতে পারে। সেই সঙ্গে এইসব উপাদান মোটা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পুষ্টিকর খাবারে সকল উপাদানের মাত্রিক পরিমাণ হবে সুষম।



খাবারে মসলা ব্যবহার করা প্রসঙ্গে পুষ্টিবিদ বাটাইনা বলেন, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ মতো হতে হবে। বিভিন্ন লতাপাতা, যেমন: পুদিনা, লেটুস বা ধনেপাতা খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। পাশাপাশি ওজন কমাতে এবং খাবারের পুষ্টিগুণ বাড়াতেও কার্যকর এইসব হার্বসগুলো। আমাদের দেশে একটি প্রচলিত ধারণা হলো, বেশি তেল দিয়ে রান্না করলেই খাবার সুস্বাদু হয়। কিন্তু বাটাইনা বলেন, রান্নার পাত্রে খাবার লেগে যাওয়া থেকে বাঁচাতে ঠিক যতটুকু তেল প্রয়োজন ততটুকুই ব্যবহার করা উচিত। এর থেকে বেশি তেল ব্যবহার করা কখনোই ঠিক নয়।
Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.