করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশে দেশে এখনো লকডাউন চলছে। তবে এই লকডাউনের মধ্যেও কেউ কেউ দোকান পাট খোলা রাখছে। এদিকে, লকডাউনের কারণে কোনো যাত্রী পরিবহন চলছে না। আর যাত্রী পরিবহন না চলার কারণে অনেক মানুষ তাদের গন্তব্য স্থানে পৌছাতে পারছে না। তবে এ কারণে অনেক মানুষ ভিন্ন ভাবে তাদের গন্তব্য স্থানে যাচ্ছে। আর এবার তেমনই একটি ঘটনা দেখা গেল। লকডাউনের কারণে সাঁতরে গন্তব্য স্থানে যাচ্ছে এক যুবক।

অফিস থেকে ছুটি নিলে সেই দিনের বেতন কেটে নেয়। এদিকে লকডাউনের কারণে বন্ধ নদী পারাপারের নৌকা। অন্যদিকে অফিস না গেলে পরিবারের ভাতে পরবে টান। তাই রোজ দুই ঘণ্টা সাঁতরে নদী পার হয়ে অফিস করছেন এক যুবক। এ ঘটনা ভারতের নদীয়ার। খবর এই সময়।

জানা যায়, ২৮ বছরের সঞ্জয় পাল নদীয়ার এক সোনার দোকানের কর্মচারী। করোনাভাইরাস এবং লকডাউনের কারণে জলপথে পরিবহণ বন্ধ হয়। এর জেরেই গত ২০ দিন ধরে সাঁতরে কাজে যাচ্ছেন তিনি।

সঞ্জয় বলেন, আমি মোটেই ভালো সাঁতার জানি না। তবে আর কোনও উপায় নেই। তবে পাঁচ জনের পরিবারে খাবার জোগাড় করতে হুগলি নদীতে ২ ঘণ্টা সাঁতার কেটে কাজে পৌঁছই।’

তিনি আরও জানান, মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন। ছুটি নিলে ওই দিনের টাকা কেটে নেয়া হয় যায়। এমন অবস্থায় হুগলি নদীতে সাঁতার দেয়া ছাড়া উপায় নেই।


এদিকে, ভারতে কয়েক দফায় লকডাউন বাড়ানো হয়েছে। আর এই লকডাউনের কারণে দেশটিতে অনেক মানুষ নানা রকম সমস্যার মধ্যে পড়েছে। ভারতে প্রায় সময় দেখা গেছে শত শত মাইল হেটে গন্তব্য স্থানে যাচ্ছে অনেকে। আর এবার এই যুবক চাকরি বাঁচাতে দুই ঘণ্টা নদী সাঁতরে অফিস করছে। মূলত নিজের পরিবারের কথা ভেবেই তিনি সাঁতরে অফিস করতে যাচ্ছে। এমনকি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সে সাঁতরে অফিস করতে যাচ্ছে।